Oxygen Leak in Nashik Hospital: চলে গিয়েছে ২৪ প্রাণ, নাসিক হাসপাতালের ট্যাঙ্কার লিকের ঘটনায় কোন রহস্য? তদন্ত শুরু


#নাসিকঃ অক্সিজেন ট্যাঙ্কার লিক (Oxygen Tanker Leak) হয়ে হাসপাতালে ৩০ মিনিট বন্ধ ছিল অক্সিজেন সরবরাহ (Oxygen Supply)। আর তাতেই ছটফটিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৪ করোনা রোগীর (Corona Positive Patients)। মহারাষ্ট্রের নাসিকের হাসপাতালের মর্মান্তিক এই ঘটনায় শিউড়ে উঠেছিল গোটা দেশ। এবার প্রকাশ্যে এল ওই অক্সিজেন লিক হওয়ার ঘটনার মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage)। মহারাষ্ট্রের নাসিকের ডক্টর জাকির হুসেন হাসপাতালের ওই দুর্ঘটনার মুহূর্তের ছবি দেখেই অনুমান করা যাচ্ছে তার বীভৎসতা।

ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কার লিক হতেই গোটা এলাকায় সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে। ট্যাঙ্কারের সামনে দাঁড়িয়ে দুজন ব্যক্তি, একটি পাইপের সাহায্যে অক্সিজেন সাপ্লাই হতে থাকে হাসপাতালে। এমনই এক মুহূর্তে ট্যাঙ্কার লিক করতে শুরু করে আর নিজেদের বাঁচাতে ওই দু’জন ব্যক্তি নিরাপদ জায়গায় চলে যান।

ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে, একেএকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন করোনায় আক্রান্ত, ভেন্টিলেশনে থাকা অসহায় ২৪ প্রাণ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। নাসিকের ডিভিশনাল কমিশনারের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে সেই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের তরফেও অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

গত বুধবার নাসিকের জাকির হোসেন হাসপাতালের ট্যাঙ্কারে অক্সিজেনের রিফিলিংয়ের সময়ে একটি ট্যাঙ্কে লিক ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই সেই লিক দিয়ে অক্সিজেন বেরিয়ে গোটা হাসপাতাল চত্ত্বর সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। অক্সিজেন লিকের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর এল সিসিটিভি ফুটেজ।

গোটা দেশেই অবশ্য আতঙ্কের পরিবেশ। দেশের দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ফের একবার ৩ লক্ষ ছাড়াল৷ এই নিয়ে পরপর ২ দিন৷ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৩০ জন। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৬২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৯৫ জন। আমেরিকার পর ভারত এখন দ্বিতীয় দেশ যেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরিয়েছে। বর্তমানে আমেরিকার থেকে ভারতে অনেক বেশি দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে করোনা দ্বিতীয় ঢেউ৷ পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে৷





Reference: Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *